চেয়ারম্যানের মদদে সরকারী গাছ কেটে সাবাড় করার অভিযোগ

0
12
gach kata

চুকনগরের মাগুরাঘোনায় চেয়ারম্যানের মদদে তার সাঙ্গপাঙ্গরা একের পর এক সরকারী গাছ কেটে সাবাড় করার অভিযোগ
চুকনগর (খুলনা) প্রতিনিধি ॥

চুকনগরের মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের প্রত্যক্ষ মদদে তার সাঙ্গপাঙ্গরা একের পর এক সরকারী গাছ কেটে সাবাড় করছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামীন সড়কের পাশ থেকে প্রকাশ্য দিবালোকে এসব গাছ গুলো বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকবাসীর।

তবে তারা সকলেই চেয়ারম্যনের পক্ষের লোক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা এলাকাবাসী। তার ধারাবাহিকতায় শনিবার ইউনিয়নের একাধিক স্থানে গাছ কাটার ঘটনা ঘটেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,মাগুরাঘোনা গ্রামের আফসার সরদারের পুত্র মতিয়ার রহমান,চেয়ারম্যানের ভাতিজা রফিকুল ইসলাম এবং মাদার দাসের পুত্র উত্তম দাস মাগুরাঘোনা গ্রামের একটি হেরিংবোন সড়কের পাশ থেকে ৪টি গাছ কাটাতে দেখা যায়।

যার আনুমানিক মুল্য ৬০ হাজার টাকা। একটি গাছ কাটার পরে স্থানীয় সাংবাদিকরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার পরে তারা গাছ কাটা বন্ধ করে দেয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মতিয়ার রহমান বলেন ইউনিয়ন পরিষদে ১৫০০ টাকা জমা দিয়ে তিনি এই গাছ কাটার অনুমতি পেয়েছেন। এ সময় তিনি একটি রশিদ দেখান যা ১৬ ফেব্র“য়ারী/২০১৭ তারিখে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সরবরাহ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ আবুল হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন ঝড়ে গাছের ডাল হেলে পড়ে একজনের ঘরের উপরে পড়ছিল। এজন্যে মানবিক কারনে গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছি।

তবে গাছগুলো সরকারী কি ব্যক্তি মালিকানার এব্যাপারে আমি কিছু জানিনা। এর কিছুক্ষন পরে আঠারোমাইল-বাদুড়িয়া সড়কের বেতাগ্রাম ঈদগাহ ময়দানের পাশ থেকে আরও দুটি গাছ কেটে নেন বেতাগ্রামের আব্দুস সাত্তার। তিনি চেয়াম্যানের অনুমতি নিয়ে জনৈক সিরাজুল ইসলামের কাছে গাছ বিক্রি করেছেন বলে জানান,তবে এব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে
জানান চেয়ারম্যান শেখ আবুল হোসেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি সাংবাদিকদের জানান শুধু আজ নয় এমনি ভাবে ওই চক্রটি প্রায়ই বিভিন্ন রাস্তার পাশ থেকে গাছ কেটে বিক্রি করে অথবা নিজেরা ব্যবহার করে। তারা ক্ষমতাসীন দলের লোক বিধায় তাদের এই হীন কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করতে পারেনা এলাকবাসী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here