নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই যশোর পৌরসভা গাছ নিধন করছে

0
5
নিধন
নিধন

রিপোর্টার, যশোর: গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। মানুষ বাচাঁয়। সরকারি আইন রয়েছে গাছ কাটা নিষেধ। প্রয়োজনে একটা গাছ কাটলে পাঁচটা গাছ লাগাতে হবে। অথচ যশোর পৌরসভা সরকারি কোন নির্দেশনা না মেনে হরহামেশা গাছ নিধন করে চলেছে। এতে পৌরসভার কাউন্সিলরদের মধ্যেও চাপা ক্ষোভ রয়েছে। মানসন্মানের ভয়ে কেউ মুখ খুলছেন না বলে পৌর সূত্রে জানা যায়।
অথচ নতুন পৌরমেয়র দায়িত্ব নেবার পর ইচ্ছাখুশি মতো পৌরসভার গাছ নিধন করে চলেছেন। শুধু গাছই নয় তিনি পৌরসভার যেকোন সিদ্ধান্ত একক ভাবে নিচ্ছেন বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, পৌরসভার পশ্চিম পাশে পৌরপার্কের মধ্যে নাট্যমঞ্চের পিছনে প্রায় ২০ বছরের পুরাতন একটি রোডরেন্ট্রি গাছ টেন্ডার ছাড়াই রোববার (০৫ মার্চ) কেটে পৌরসভার গাড়িতে উঠানো হচ্ছে। গাছটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা। এক্ষেতে সরকারি কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা করেননি পৌরমেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রিন্টু।
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুল অনুযায়ি সরকারি, বেসরকারি বা স্বায়ত্বশাষিত কোন প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটতে হলে যদি গাছের মূল্য লাখ টাকার উপরে হয় তা হলে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে টেন্ডার আহবান করতে হবে। অবশ্য টেন্ডার আহবানের আগে বনবিভাগে আবেদনের মাধ্যমে দরনির্ধারন করে কাটার অনুমতি নিতে হবে।

অথচ পৌরপার্কের ভিতর থেকে গাছ কাটতে এসব কোন নিয়মনীতি মানা হয়নি।

সূত্রটি জানায়, মাস দেড়-দুয়েক আগে পৌরমেয়রের নির্দেশে ঝুমঝুমপুর ময়লাখানা এলাকা থেকে প্রায় এক-দেড়শো বিভিন্ন ধরনের গাছ কেটে বিক্রি করে দেয়া হয়। যার মূল্য প্রায় ৫/৬ লাখ টাকা। ওই সময়ও গাছ কাটার ক্ষেত্রে সরকারি কোন নিয়মনীতি মানা হয়নি।

এবিষয়ে বিভাগীয় বনকর্মকর্তা মো: মঈনুদ্দিন খানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, পৌরসভার কোন গাছার কাটার ব্যপারে আমাদের কাছে অনুমতি নিয়েছে বলে আমার জানা নেই।
গাছকাটার ব্যাপারে জানার জন্য পৌরমেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদারের মুঠো ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here