সার্বিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও জানমালের নিরাপত্তা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

0
2
সভা অনুষ্ঠিত

পিআইডি ঃ নিরাপত্তা সম্পর্কে সার্বিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও জানমালের নিরাপত্তা এবং বিভাগীয় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রাšত বিভাগীয় আলোচনা সভা আজ সকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুস সামাদ।

সভায় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন, মসজিদের ইমামদের ভূমিকা, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ অফিস, সার্কিট হাউজ, কালেক্টরেট, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শপিংমল বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ অব্যহত থাকবে।

খুলনা সিটি কর্পোরেশন মহানগরীতে গুরুত্বপূর্ণ ১১টি পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধাšত গ্রহণ করেছে। মসজিদের ইমাম ও মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারীদের সঙ্গে নিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে প্রতিমাসে সমন্বয় সভা করার জন্য বলা হয়। খুলনা বিভাগে বাল্যবিবাহ ৭০% থেকে ৪০% এ নেমে এসেছে। বাল্যবিবাহ সম্পূর্নরূপে বন্ধ করার জন্য সকল বিভাগকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। আমের মৌসুমকে সামনে রেখে আমের মূকুলে যাতে কোনরূপ ক্ষতিকারক বিষ ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য আম উৎপাদনকারী জেলা সমূহে নজরদারী বাড়াতে হবে। ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ কীটনাশক ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

বিভিন্ন অঞ্চলে রা¯তার ভগ্নদশা জনগণের ভোগাšিত বাড়িয়ে তুলছে। এর জরুরী সমাধানের জন্য এলজিইডি এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগকে অনুরোধ জানানো হয়। মহাসড়কে অপ্রয়োজনীয় স্পীড ব্রেকার জরুরীভিত্তিতে তুলে দেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় সুন্দরবনে চোরা শিকারীদের দৌরাত্ম বন্ধে নজরদারী বাড়াতে হবে। এছাড়া নিরাপদ সড়কের জন্য গাড়ি চালকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে মর্মে সিদ্ধাšত গৃহীত হয়।
সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, এ্যডিশনাল ডিআইজিসহ ১০ জেলার জেলা প্রশাসকবৃন্দ ও বিভাগীয় পর্যায়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here