গল্লামারী সেতুর ওপর বাজার বসায় চরম ভোগান্তির শিকার

0
21
গল্লামারী সেতুর
গল্লামারী সেতুর

আদিল -বিবিসি একাত্তর নিউজ- খুলনা শহরের অন্যতম প্রবেশপথ গল্লামারী সেতুর ওপর বসছে কাঁচাবাজার। সেতুর ওপর বাজার বসায় তাঁদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে পতিনিয়ত এতে মানুষের চলাফেরায় সমস্যা হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।
সেতু থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরে গল্লামারী পুলিশ বক্স। শহরবাসীর অভিযোগ, সেতুর ওপর যাতে অবৈধভাবে বাজার না বসে এবং বাস-ইজিবাইক দাঁড়াতে না পারে, তা দেখার দায়িত্ব পুলিশের। কিন্তু তারাই সেই দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করছে না।
গল্লামারী সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও খুলনার বিভিন্ন উপজেলার কয়েক হাজার মানুষের খুলনা শহরে যাতায়াত। এই সেতুর ওপর দিয়েই যাতায়াত করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী। কিন্তু সেতুর ওপর বাজার বসায় তাঁদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

গল্লামারী এলাকার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম বলেন, সেতুর ওপর বাজার বসায় ও গাড়ি থামিয়ে যাত্রী তোলায় এই এলাকায় যানজট লেগেই থাকে। সেতুটির উপর আবার কাচাঁ বাজার সরেজমিনে দেখা যায়, গল্লামারী এলাকায় ময়ূর নদের ওপর পাশাপাশি দুটি সেতু। নতুন সেতুতে হাঁটার জন্য যে পথ আছে তার পুরোটা দখল করে বসেছে ভাসমান কাঁচাবাজার। এতে পথচারীরা মূল সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করছে। সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করছেন অনেকে।

সেতুর ওপর ভ্যান দাঁড় করিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ডাব ও শরবত। কিছু বাস সেতুর ওপর দাঁড়িয়েই যাত্রী তুলছে। পুরোনো সেতুর ওপর পেঁয়াজ, রসুন, মুরগি, সবজির ভ্যান রেখে চলছে জমজমাট বেচাকেনা। অহিদুল ইসলাম ও কার্তিক পশারি নামের দুজন ব্যবসায়ী  বিবিসি-৭১ নিউজকে বলেন, ‘সেতুর ওপর মানুষের হাঁটাচলার জায়গায় বাজার বসানো ঠিক না, তা জানি। তবে সবাই বসে, তা-ই আমরাও বসি।’
অন্য তিনজন ভাসমান ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, মাঝেমধ্যে তাঁদের উঠিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ তাঁদের কাছ থেকে প্রতিদিন ৫-১০ টাকা করে আদায় করে।
এ বিষয়ে গল্লামারী পুলিশ বক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন বিবিসি-৭১ নিউজকে বলেন, টাকা নেওয়ার বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তাঁরা এসব ভাসমান ব্যবসায়ীকে মাঝেমধ্যে উঠিয়ে দেন। কিন্তু ঘুরেফিরে আবার তাঁরা বসেন। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ, ট্রাফিক বিভাগ ও পাশের গল্লামারী বাজার সমিতি সমন্বিত উদ্যোগ নিলে এই বাজার একেবারে উচ্ছেদ সম্ভব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here