র‌্যাব-৬ কর্তৃক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

0
11
র‌্যাব-৬
র‌্যাব-৬

বিবিসি একাত্তর নিউজ১৩ মার্চ ২০১৭ তারিখ রাত ২৩.০৫ ঘটিকায় লেঃ এএমএম জাহিদুল কবীর, র‌্যাব-৬, সিপিসি-১, খুলনা এর নেতৃত্বে  র‌্যাবের একটি চৌকষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা জেলার সদর থানাধীন বাসস্টান্ড এলাকা থেকে বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট থানার মামলা নং-০৮ তারিখ ১৪/০৫/২০১৩ ধারা-৩০২ পেনাল কোড এর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাতক আসামী মোঃ মাহামুদুল আলম সিকদার (৩৩), পিতাঃ মৃতঃ শামসুল আলম সিকদার, সাং-উদয়পুর দৈবকান্দি, থানা-মোল্লাহাট, জেলা-বাগেরহাট-কে  গ্রেফতার করে।

ভিকটিম শরীফা বেগম পুতুল (২২) ঢাকা ইডেন কলেজের ইতিহাস বিভাগের ৩য় বর্ষের (সম্মান) একজন মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। গত ১০ মে ২০১৩ তারিখে পারিবারিক সূত্রে আসামী মোঃ মাহামুদুল আলম শিকদার ভিকটিমকে বিয়ে করে।

বিয়ের ৩য় দিনের মধ্যে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে গত ১৩ মে ২০১৩ তারিখ মধ্যরাতে আসামী তার নববধূ শরীফা বেগম পুতুলকে নৃশংসভাবে চাপাতি দিয়ে জবাই করে হত্যা করে। নববধুর হাতের মেহেদী রং ওঠার আগেই নৃশংস হত্যাকান্ডের এই ঘটনাটি সে সময় দেশব্যাপী চাঞ্চল্য ও আলোড়ন সৃষ্টি করে। মোল্লাহাটের জনসাধারন এবং ঢাকা ইডেন কলেজের ছাত্রীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে পাষন্ড স্বামীর দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির জন্য মহাসড়কে মানব বন্ধন করে।

এছাড়া দেশের প্রধান প্রধান পত্রিকা ও সামাজিক যেগাযোগ মাধ্যমে হত্যাকান্ডটি বহুল আলোচিত হয়। পরবর্তীতে, আসামী জামিনে থাকা অবস্থায় বিজ্ঞ আদালত মামলাটির বিচার শেষে আসামীকে ফাঁসির আদেশ দিলে গত ০৮ এপ্রিল ২০১৬ তারিখ আসামী মোঃ মাহামুদুল আলম সিকদার গা ঢাকা দেয় এবং দীর্ঘদিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় পলাতক অবস্থায় থাকে।

ঘাতক মোঃ মাহামুদুল আলম শিকদার একই গ্রামের মৃতঃ সামসুল আলম শিকদার এর ৪র্থ ছেলে। পুতুল হত্যার ঘটনায় তার পিতা বাদী হয়ে মোল্লাহাট থানায় মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য, বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ গত ১২ মে ২০১৬ তারিখে আসামীকে মৃত্যু দন্ডে দন্ডিত করেন।

এ ধরনের নৃশংস হত্যাকান্ডের দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী প্রচলিত আইনের আওতায় আসুক তা দেশবাসীর সকলেরই চাওয়া। ভবিষ্যতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের গ্রেফতার করতে আরও জোরদার অভিযান পরিচালনা করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here