খুলনা কর্তৃক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার মৃত্যু দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার প্রসঙ্গে।

0
12
RAB-6

 

বার্তা প্রেরক -এ এম এম জাহিদুল কবীর -লেঃ কমান্ডার বিএন- র‌্যাব-৬,

 

গত ১৩ জুলাই ২০১৭ তারিখ রাত ২৩.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-৬, সিপিসি-১ এর একটি চৌকষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ থানার মামলা নং-১৪ তারিখ ২৪/০৩/১৯৯৯ ধারা-৩০২ পেনাল কোড এবং মোড়েলগঞ্জ থানার মামলা নং ১২ তারিখ- ০৯/০১/২০০৪ ধারা-১৪৩/৩৪১/৩২৬/৩০৭/৩২৩/৩৭৯ পেনাল কোড এর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী ইলিয়াছ শেখ (৪৮) পিতা-মোঃ আছমত আলী শেখ, সাং-চন্ডিপুর, থানা-মোড়েলগঞ্জ, জেলা-বাগেরহাটকে মোড়েলগঞ্জের চন্ডিপুর বাজার এলাকা হতে হাতেনাতে গ্রেফতার করে।

আসামী ইলিয়াস শেখ ৩ ভাই ও ৩ বোনের মধ্যে সবার ছোট। পিতা একজন কৃষক। সে ১৯৮৯ সালে পিরোজপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে বি.কম পাশ করবার পর দীর্ঘ ১০ বছর বেকার থাকে। স্থানীয় রাজনীতিতে প্রবেশ, বখাটে-সন্ত্রাসীদের সাথে ওঠা-বসা আর দীর্ঘ বেকারত্বের কারনে সে পরিবারের বড় ভাই ও অন্যান্য সদস্যদের সাথে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদে লেগে থাকত। এরই এক পর্যায়ে ২৩/০৩/১৯৯৯ তারিখে বেলা ০১.৩০ ঘটিকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে বড় ভাই ওলিয়ার রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। পরবর্তীতে সে উক্ত হত্যা মামলায় জামিন নিয়ে সৌদি আরব গমন করে। সেখানে সে আর্থিক অস্বচ্ছলতায় পড়ে।

ফলে পুনরায় দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। ফিরে এসে সে আবার স্থানীয় সস্ত্রাসীদের সাথে মিশে একটি সস্ত্রাসী গ্রুপ তৈরি করে। উক্ত গ্রুপ গত ০৯/০১/২০০৪ তারিখে ইলিয়াছ শেখের নেতৃত্বে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের তরিকুল ইসলাম (২২) কেও ধারালো চাপাতি দিয়ে হত্যা করে। দুটি হত্যাকান্ড দেশের প্রধান প্রধান পত্রিকায় আলোচিত হয়। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক আসামীকে মৃত্যু দন্ডে দন্ডিত করলে সে দীর্ঘ দিন চট্রগ্রামে পলাতক থাকে বলে গোয়েন্দা

সূত্রে জানা যায়। এ ধরনের নৃশংস হত্যাকান্ডের দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী প্রচলিত আইনের আওতায় আসুক তা দেশবাসীর সকলেরই চাওয়া। ভবিষ্যতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের গ্রেফতার করতে আরও জোরদার অভিযান পরিচালনা করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here